যেখানেই যান, নজর কাড়েন উর্বশী রৌতেলা। ‘মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া ২০২৬’-এর ফাইনালেও তার ব্যতিক্রম হল না। এ বছরের প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে বিচারকের আসনে ছিলেন উর্বশী। তিনি নিজেও একসময় সুন্দরী প্রতিযোগিতার অংশ ছিলেন।
ব্রহ্মাণ্ডসুন্দরী অনুষ্ঠানের দিন তাঁর পরনে ছিল ভারতের জাতীয় পতাকার রঙে অনুপ্রাণিত একটি জমকালো পোশাক। তবে সেই পোশাক নিয়েই সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে বিতর্ক। কারও দাবি, তিনি দেশাত্মবোধকে তুলে ধরেছেন। আবার কারও চোখে এই সাজ অসম্মানজনক।
গেরুয়া, সাদা এবং সবুজ রঙের জাতীয় পতাকার আদলে তৈরি তাঁর পোশাক। কাঁধখোলা পোশাকের মাঝখানে একটি নীল রঙের অশোকচক্র। আঁটোসাঁটো পোশাকটি তাঁর শরীরের গড়নকেও ফুটিয়ে তুলেছিল। কাঁধ এবং বাহুর উপর নেমে এসেছিল রুপোলি রঙে মুক্তোর মতো ঝালর।
পোশাকের সঙ্গে সাজেও ছিল আড়ম্বরের ছোঁয়া। কানে বড় ঝোলা হিরের দুল, হাতে একাধিক রুপোলি চুড়ি এবং আঙুলে ভারী আংটি পরেছিলেন উর্বশী। চোখেমুখে গাঢ় প্রসাধনীও নজর কেড়েছিল।
পোশাকটি নিয়ে উর্বশী বলেন, “আমি বলেছিলাম, আমিই ভারত। তাই আজ সত্যিই আমার নিজেকে ভারত মনে হচ্ছে। আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন, আমি যে পোশাকটি পরেছি, সেটি জাতীয় পতাকা থেকে অনুপ্রাণিত।”
তবে পোশাকটি প্রশংসার পাশাপাশি বিতর্কও তৈরি করেছে। অনেকেই জাতীয় পতাকার রংকে এমন ভাবে পোশাকে তুলে ধরাকে ভাল ভাবে গ্রহণ করেননি। পতাকার অসম্মান হয়েছে বলেও অনেকে মনে করেছেন।
এ বারের ‘মিস ইউনিভার্স’-এর সন্ধ্যা উর্বশীর জন্য ব্যক্তিগত ভাবেও বিশেষ ছিল। একসময় তিনিও এই মুকুট জিতেছিলেন। সেই প্রতিযোগিতার সঙ্গে তাঁর পুরনো সম্পর্কের কথাও মনে পড়ে যায় এ দিন। বিশেষ করে, সুস্মিতা সেনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন উর্বশী। এ বারের নির্বাচন কমিটির সদস্যদের মধ্যে ছিলেন সুস্মিতা। চূড়ান্ত পর্বের আগে তাই উর্বশী জানান, তাঁর কাছে এই মুহূর্তটি অত্যন্ত আবেগের। কারণ ২০১৫ সালে ‘মিস ইউনিভার্স’ খেতাব জেতার সময় তাঁর মাথায় মুকুট পরিয়েছিলেন সুস্মিতাই।
ব্রহ্মাণ্ডসুন্দরী অনুষ্ঠানের দিন তাঁর পরনে ছিল ভারতের জাতীয় পতাকার রঙে অনুপ্রাণিত একটি জমকালো পোশাক। তবে সেই পোশাক নিয়েই সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে বিতর্ক। কারও দাবি, তিনি দেশাত্মবোধকে তুলে ধরেছেন। আবার কারও চোখে এই সাজ অসম্মানজনক।
গেরুয়া, সাদা এবং সবুজ রঙের জাতীয় পতাকার আদলে তৈরি তাঁর পোশাক। কাঁধখোলা পোশাকের মাঝখানে একটি নীল রঙের অশোকচক্র। আঁটোসাঁটো পোশাকটি তাঁর শরীরের গড়নকেও ফুটিয়ে তুলেছিল। কাঁধ এবং বাহুর উপর নেমে এসেছিল রুপোলি রঙে মুক্তোর মতো ঝালর।
পোশাকের সঙ্গে সাজেও ছিল আড়ম্বরের ছোঁয়া। কানে বড় ঝোলা হিরের দুল, হাতে একাধিক রুপোলি চুড়ি এবং আঙুলে ভারী আংটি পরেছিলেন উর্বশী। চোখেমুখে গাঢ় প্রসাধনীও নজর কেড়েছিল।
পোশাকটি নিয়ে উর্বশী বলেন, “আমি বলেছিলাম, আমিই ভারত। তাই আজ সত্যিই আমার নিজেকে ভারত মনে হচ্ছে। আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন, আমি যে পোশাকটি পরেছি, সেটি জাতীয় পতাকা থেকে অনুপ্রাণিত।”
তবে পোশাকটি প্রশংসার পাশাপাশি বিতর্কও তৈরি করেছে। অনেকেই জাতীয় পতাকার রংকে এমন ভাবে পোশাকে তুলে ধরাকে ভাল ভাবে গ্রহণ করেননি। পতাকার অসম্মান হয়েছে বলেও অনেকে মনে করেছেন।
এ বারের ‘মিস ইউনিভার্স’-এর সন্ধ্যা উর্বশীর জন্য ব্যক্তিগত ভাবেও বিশেষ ছিল। একসময় তিনিও এই মুকুট জিতেছিলেন। সেই প্রতিযোগিতার সঙ্গে তাঁর পুরনো সম্পর্কের কথাও মনে পড়ে যায় এ দিন। বিশেষ করে, সুস্মিতা সেনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন উর্বশী। এ বারের নির্বাচন কমিটির সদস্যদের মধ্যে ছিলেন সুস্মিতা। চূড়ান্ত পর্বের আগে তাই উর্বশী জানান, তাঁর কাছে এই মুহূর্তটি অত্যন্ত আবেগের। কারণ ২০১৫ সালে ‘মিস ইউনিভার্স’ খেতাব জেতার সময় তাঁর মাথায় মুকুট পরিয়েছিলেন সুস্মিতাই।
তামান্না হাবিব নিশু